ঈদের আগে ওজন কমিয়ে স্লিম হতে এখন থেকেই সেহেরীতে খান এই খাবারটি!


সকলেই চান ঈদের দিনটিতে তাঁকে দেখতে লাগুক সবচাইতে সুন্দর। কিন্তু গোটা রমজান মাসে ভাজা পোড়া খেয়ে ত্বক যেমন বাজে হয়ে যায়, তেমনই ওজনও যায় বেড়ে। অন্যদিকে রোজা রেখে ব্যায়াম করাটাও হয়ে ওঠে না একদম। ব্যায়াম ছাড়াই এই রমজান মাসে কমিয়ে ফেলতে চান ওজন? তাহলে সেহেরী বা ডিনার করতে পারেন এই দারুণ খাবারটি দিয়ে। মজাদার এই খাবারটি দ্রুত ওজন কমাতে খুব উপকারী। কেননা এই খাবারটি লো ক্যালোরিতেই পেট ভরায়, তাছাড়া এতে আছে অলিভ অয়েল ও রসুন ইত্যাদি উপাদান যা ওজন কমাতে সহায়ক।

উপকরণ-

ইনস্ট্যান্ট ওটস ১/২ কাপ
গরম পানি ১/২ কাপ
ইচ্ছামত যে কোন সবজি (আলু ও মিষ্টি কুমড়া বাদে)- ১/২ কাপ
ধনে পাতা কুচি ইচ্ছা মত
রান্না করা মাছ বা মুরগীর মাংস ১ টুকরা
হলুদ গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ
পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ কুচি খানিকটা
মরিচ গুঁড়ো ও লবণ স্বাদ মত
ধনে গুঁড়ো সামান্য
ভাজা জিরা গুঁড়ো সামান্য
অলিভ ওয়েল সামান্য
মিহি রসুন কচি ১ চা চামচ
আদা বাদা সামান্য

প্রণালি –

– শুকনো প্যানে ওটসগুলোকে ৫ মিনিট ভেজে নিন। তারপর ঠাণ্ডা করে নিন।

– প্যানে তেল দিয়ে রসুন কুচি ভেজে নিন।। তারপর পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ভাজুন।

– পেঁয়াজ একটু নরম হলে সবজিগুলো দিয়ে দিন। তারপর সব মশলা ও লবণ দিয়ে ভাজুন।

– ভালো করে ভাজা হলে ওটস গুলো দিয়ে দিন। মাংস বা মাছ দিন। ভালো করে মিশিয়ে পানি দিয়ে দিন।

– এবার ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন পানি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। পানি শুকালে ভাজা ভাজা করে ধনে পাতা ছিটিয়ে নামিয়ে নিন। তৈরি আপনার “ডায়েট ওটস খিচুড়ি”।

টিপস –

– আপনি চাইলে সেহেরি, ইফতার ও ডিনার ৩ বেলাতেই এই খাবারটি খেতে পারেন। যদি দ্রুত ওজন কমাতে চান, তাহলে অন্তত ২ বেলা এই খাবারটি খান।

– স্বাদে ভিন্নতা আনতে ভিন্ন ভিন্ন মসলা ব্যবহার করতে পারেন।

– ইফতারে ভাজা ভুজি খাওয়ার অভ্যাস বাদ না দিলে এই খিচুড়ি খেয়েও লাভ হবে না। এছাড়াও চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে। কোমল পানীয় বাদ দিতে হবে।

– ভালো ফল পেতে দৈনিক কমপক্ষে ৮ গ্লাস সাদা পানি পান করুন। পানি চর্বিকে শরীর থেকে বের করে দেয়।

– সেহেরিতে এই খিচুড়ি, ইফতারে ভাজাভুজি সীমিত পরিমাণে খেয়ে রাতে ডিনারে যদি ফল খান, তবে এই ডায়েট খব ভালো কাজ করবে।

সুত্রঃ প্রিয় লাইফ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *