ওজন কমাতে চাইলে সকালের নাস্তায় মানতে হবে ৫ টি টিপস

ওজন কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি আমরা অবলম্বন করে থাকি। তবে তার সবগুলোই যে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে তা না। আসলে ওজন কমানোর জন্য দরকার স্বাস্থ্যকর খাবারের পাশাপাশি শারীরিক প্রয়োজনীয় ব্যায়াম। শুধু না খেয়ে ডায়েট করলেই ওজন নিয়ন্ত্রণে আসে না, এতে শুধুমাত্র শরীর দুর্বলই হয়।১. কমপক্ষে ৮ গ্রাম ফাইবার রাখুন :
আপনি যদি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে চান পাশাপাশি শরীরের অতিরিক্ত ওজনকে নিয়ন্ত্রণে আনতে চান তবে আপনার সকালের নাস্তাটিতে কমপক্ষে ৮ গ্রাম ফাইবার রাখার চেষ্টা করুন। সকালবেলা কখনই এমন ধরনের খাবার খাবেন না যেগুলো পেটে গ্যাস তৈরি করে। বরং পুষ্টিকর কিছু খাবার খান যা আস্তে আস্তে হজম হয় এবং সারাদিন আপনাকে কর্মক্ষম রাখে।

২. যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নাস্তা সেরে ফেলুন :
অনেকেই সকালের নাস্তাটি একটু দেরি করে খেয়ে থাকেন। কেননা ঘুম থেকে উঠেই খাওয়ার অভ্যাসটি তাদের থাকে না। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে যে সকালের নাস্তাটি শরীরের বিপাকীয় কার্যে সহায়তা করে থাকে। তাই আপনি যদি ঘুম থেকে ওঠার ১ ঘন্টার মধ্যে আপনার সকালের নাস্তাটি সেরে ফেলেন তবে তা আপনার হজম ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং স্বাস্থ্যকে নিয়ন্ত্রণ করে।

৩. কম সুগার এবং বেশি প্রোটিনজাতীয় খাবার খান :
অতিরিক্ত সুগার সকালের খাবারের কার্যক্ষমতাকে নষ্ট করে দিতে সহায়ক। তাই নিশ্চিত করুন যে আপনার সকালের নাস্তাটি যেন কম সুগারসম্পন্ন হয়ে থাকে। এছাড়া সকালে ক্যালরিসম্পন্ন খাবারের পরিবর্তে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন ডিম, রুটি খান যা আপনার দেহের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে সহায়তা করে থাকবে।

৪. পরিমাণটি নির্দিষ্ট করুন :
অনেকে ভেবে থাকেন যে খাবারের পরিমাণ বেশি হলেই ওজন weight বেড়ে যায়। এটা একেবারেই সঠিক ধারণা না। অঅপনি যদি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার অনেক বেশি পরিমাণেও খেয়ে থাকেন তবু আপনার ওজনটি স্বাভাবিক থাকবে।

অন্যথায় ক্যালরিযুক্ত খাবার অল্প খেলেই আপনার ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে শরীরের প্রয়োজনে কমপক্ষে ৩৫০ ক্যালরি গ্রহণ করা উচিৎ। আর সকালের খাবারের পরিমাণটিও নির্দিষ্ট করে ফেলা উচিৎ।

৫. নিয়ম করে নাস্তা করুন :
ওজন কমানোর reduce weight জন্য সকালের নাস্তা না করা কোনোভাবেই ভালো সিদ্ধান্ত না। এতে শরীর আরও বেশি অসুস্থ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা যায়। তাই নিয়ম করে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবার খাওয়া শরীরকে সুস্থ স্বাভাবিক রাখে পাশাপাশি অতিরিক্ত ওজনকেও নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *