কলেজ পড়ুয়া মেয়েটিকে নষ্ট করে দিল তার গৃহ শিক্ষক! (পড়ুন বিস্তারিত)

আজ আপনাদের শোনাব একটি কলেজ পড়ুয়া মেয়ের কষ্টের জীবন কাহিনী। চোখে পানি চলে আসবে। মেয়েটি একটা কলেজে পড়ত। নাম নীলা (ছদ্মনাম)। আর পাঁচ টা মেয়ের মতন ছিল তার স্বপ্ন। স্বপ্ন ছিল অনেক বড় হবার। স্বপ্ন ছিল আকাশ ছোঁয়ার। নীলার বাবা প্রবাসী। মা কে নিয়ে সে এই শহরের একটি বাসাতেই থাকত। পড়া শোনা এবং মাকে নিয়েই জীবন পার হয়ে যাচ্ছিল।

একদিন নীলার জন্য তার মা নিয়ে এলেন এক স্যার। নাম সুমন (ছদ্মনাম) স্যার। ভার্সিটি এর ছাত্র। চোখে চশমা পড়া। অল্প অল্প গোঁফ দাড়ি। চেহারাটা অনেকটা নাটকের নায়ক এর মতন।

স্ত্রীর স্তন চোষণ করা স্বামীর জন্য হালাল না হারাম? জানতে ছবিত ক্লিক করুনস্যার এসে যখন পড়াতেন। নীলা লজ্জায় কেন জানি স্যার কে ঠিক ঠাক ভাবে কিছু বলতে পারত না। কিসের জন্য একটা মায়া পরে গিয়েছিল স্যার এর উপর। সেই মায়া থেকে একদিন কিভাবে না কিভাবে ভালোবাসা হয়ে যায় স্যার এর সাথে।

স্যার এর সাথে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখে নীলা। গল্প হয়। মাঝে মাঝে মা মার্কেটে চলে গেল স্যার কে বাসায় নিয়ে আসে। এটা সেটা রান্না করে খাওয়াত। একটা ছোট সংসার গড়ার স্বপ্ন। কে না দেখে বলুন? নীলা নামের মেয়েটিও দেখেছিল।

→ আপনার বিশ্বাস হবেনা তারপর ও দেখুন মেয়েটি যা করলো “ছিঃ ছিঃ”সুমন স্যার সুযোগ পেলেই একটু দুষ্টুমি করতে চাইত। কিন্তু নীলা দিত না। সে চাইত সব কিছু বিয়ের পরে হবে। কিন্তু সেদিন বাসায় মা ছিল না তার। বাইরে কি বৃষ্টি। স্যার আসল। একদম ভিজে গেল। নীলা কে পেয়ে স্যার এর চোখ দুটো যেন অন্যরকম হয়ে গেল।

নিলার কাছে মনে হল সে যেন কোথায় হারিয়ে গেছে। সে চাচ্ছিল এসব কিছু যেন না হয়। কিন্তু সে ছিল স্যার এর কাছে অসহায় একটা পুতুল এর মত। এরপর স্যার এর সাথে প্রায়ই শারীরিক সম্পর্ক হত তার। স্যার বলত তাদের মনে মনে বিয়ে হয়ে গেছে।

নীলা হঠাৎ লক্ষ্য করল স্যার এর ভেতর কেমন পরিবর্তন। একদিন সে জানল সুমন স্যার  বিবাহিত। তার একটা দুই বছরের মেয়েও আছে। নীলার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। সে এত দিন কত বড় ভুল করে এসেছে। কি বড় ভুল সে করেছে।

কারন সে নিজেও মা হতে যাচ্ছে! কি করবে সে এখন? কি করবে? ছাদ থেকে লাফ দিবে? নাকি বিষ খাবে? নাকি ঘুমের ঔষধ?

এই বাচ্চাটাকে সে মারতে পারবে না। নিজে মরে যাবে। নীলা চিৎকার করে কাঁদতে লাগল। আর বলতে লাগল, আল্লাহ অনেক অন্যায় করেছ। অন্যায় আমার সন্তানের না। আল্লাহ গো আমাকে মাফ করে দেও। এই নষ্ট জীবন আর আমি রাখতে চাই না।