গ্রিন টি দিয়ে রূপচর্চার দারুণ ৪টি ব্যবহার

স্বাস্থ্য ও ত্বকের জন্য গ্রিন টি’র উপকারীতা নতুন করে বলার কিছু নেই। পান করার পাশাপাশি ত্বক, চুল ও চোখের যত্নেও গ্রিন টি বেশ উপকারী।


1. ব্রণের দাগ দূর করতে:
অনেক নামিদামি ব্র্যান্ডের ক্রিমও ব্রণের জেদী দাগ দূর করতে ব্যর্থ হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই। এক্ষেত্রে বেশ উপকারী গ্রিণ টি। গরম পানিতে গ্রিন টির ব্যাগ ভিজিয়ে রাখতে হবে। পানি আলাদা করে নিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। মুখ ধোয়ার সময় ওই পানি ব্যবহার করুন।

তবে ধোয়ার পর মুছে ফেলবেন না। পানি মুখে শুকাতে দিন এতে ত্বক গ্রিন টি শুষে নেবে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের দাগ হালকা হয়ে আসবে।

2. গ্রিন টি ময়েশ্চারাইজার:
সমপরিমাণে নারিকেল তেল, বাদাম তেল ও গ্রিন টির পাতা নিন। সঙ্গে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল তেল মিশিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন। সুগন্ধের জন্য সুগন্ধি এসেনশিয়াল অয়েল যুক্ত করা যেতে পারে। সব উপাদান ব্লেন্ড করে ঘন একটি মিশ্রণ তৈরি হবে। এটি মুখ এবং শরীরের জন্য বেশ উপকারী ময়েশ্চারাইজার।

3. উজ্জ্বল চোখ:
দীর্ঘ সময় কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করা বা টিভি দেখার অভ্যাস, রোদের তাপ, বাইরের দূষণ এমনকি মেইকআপ— ইত্যাদি কারণে চোখের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে থাকে। চুলকানো, জ্বালাপোড়া ভাব হওয়া, লাল হয়ে যাওয়া এমনকি পানি পড়া ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে ব্যবহৃত গ্রিন টি ব্যাগ।

ব্যবহৃত গ্রিন টির ব্যাগ ফেলে না দিয়ে তা ঠাণ্ডা করে চোখের উপর দিয়ে ২০ মিনিট চোখ বুজে বিশ্রাম করুন। এটি চোখ পরিষ্কার করবে পাশাপাশি চোখের শিরায় আরাম দেবে।

4. ঝলমলে চুলের জন্য:
বিভিন্ন চুলের প্রসাধনীতে গ্রিন টি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে অযথা বাড়তি খরচ না করে নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন চুলের উপযোগী গ্রিন টি কন্ডিশনার।

পানিতে বেশ কিছু টি ব্যগ ভিজিয়ে রেখে পানি আলাদা করে ঠাণ্ডা অবস্থায় সংরক্ষণ করুন। শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনারের বদলে গ্রিন টি ভেজানো পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

গ্রিন টি চুলের ফলিকল গঠনে সাহায্য করে। এতে চুল মজবুত ও লম্বা হয়। চুলের বাড়তি পুষ্টির জন্য তৈরি করে নিতে পারেন হেয়ার মাস্ক।

ডিম, গ্রিন টির পাতা এবং টক দই একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ও পুরো চুলে ভালোভাবে লাগিয়ে ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল মজবুত হবে।