ঘরেই তৈরী করুন মজাদার বিস্কুট

আমি এই খাবারটা অনেক সময়ই তৈরী করি। এটার আলাদা কোন নাম আছে কিনা জানিনা, আমরা এটাকে ডিম-ময়দার বিস্কুট বলি। সব বিস্কুটই ডিম-ময়দা দিয়ে বানানো হলেও শুধু এইটাকে কেন ডিম-ময়দার বিস্কুট বলি এই বিতর্কে না যেয়ে চলেন জেনে নিই বিস্কুট বানানোর রেসিপিট।যা যা লাগবে_
ডিম- ৫টি
চিনি-৪কাপ ( মাঝারী বড় কাপের)
সয়াবিন তেল দেড় কাপ
ময়দা- ৮ কাপ

যেভাবে বানাবেন_
প্রথমে চিনি নিয়ে ব্লেন্ডারে মিহি করে গুড়া করে একটা বাটিতে রাখুন। একটা বড় ডিশে ৫টা ডিম ভেঙে নিন।বিটার দিয়ে ডিমগুলো অল্প কিছুক্ষণ বিট করুন। তারপর ডিমে egg চিনির গুড়া অল্প অল্প করে দিয়ে মিশিয়ে নিন। দেড় কাপ তেল নিয়ে ডিম-চিনির মিশ্রণে দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ( চামচ দিয়ে মিশিয়ে নিলেও হবে, বিটার দিয়েও মিশাতে পারেন)
ময়দা চালনিতে চেলে নিন। রুটি বা পরোটার খামিরের চেয়ে একটু নরম করে খামির তৈরী করুন। সাধারণত ৫ ডিমে ৮ কাপ ময়দা হলে ঠিক হয়, তবে ডিম ছোট-বড় হলে বা কাপের সাইজের বিভিন্নতার জন্য মাপ ভিন্ন হয়ে যাবে। খামিরটাকে ঢেকে রেখে দিন।

এখন বাসার অন্যান্য কাজ করেন, কাজ না থাকলে আমার ব্লগে ঘুরে ঘুরে কমেন্ট করে যান:P কমেন্ট করা হয়ে গেলে নাক ডাকিয়ে ঘুমাইতেও পারেন :P।

ঘন্টা পাঁচেক পর দেখবেন নরম খামিরটা খানিকটা শক্ত হয়ে একদম রুটি বানানোর খামিরের মতো হয়ে গেছে। ব্যড লাকটা খারাপ হলে খামিরে পিঁপড়াও দেখতে পারবেন। আমি গতকালকে বানাতে গিয়ে দেখি খামিরে পিঁপড়া Ant এসে গেছে। খামিরটাকে আটভাগ করে নিন। প্রতিটা ভাগকে আলমের ১ নং পচা সাবানের মতো বানিয়ে নিন।

তারপরে এটাকে সাধারণ রুটির আকারে বেলে নিন। আর নিজের মতো করে কেটে নিন। সাইজ ছোট হলে ভাজা সুন্দর হবে।

সবগুলো বানানো হয়ে গেলে ডুবো তেলে গাঢ় বাদামী করে ভেজে নিন।

এরপরে কি করতে হবে সেটা আর আশাকরি বলে দিতে হবেনা।  ঠান্ডা হয়ে গেলে বয়ামে রেখে দিলে অনেকদিন ভালো থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *