ঘর থেকে ইঁদুরের উপদ্রব দূর করুন খুবই সহজ ৪ টি কৌশলে

ঘরে ইঁদুর হলে কি পরিমাণে যন্ত্রণাদায়ক সমস্যার সৃষ্টি হয় তা কেবল ভুক্তভুগিরাই জানেন। কাপড়চোপড়, বইপত্র কেটে একাকার করাই ইঁদুরের একমাত্র কাজ। এছাড়াও ইঁদুরের কারণে নানা রোগ বালাই ঘরে লেগেই থাকে। ইঁদুরের বিষ দিলেও অনেক সময় কাজ হয় না। এছাড়াও অনেকের ঘরে শিশু থাকে বলে বিষ দেয়া নিরাপদও নয়। এরচাইতে বরং আরও সহজ কিছু উপায় জেনে নিন। ঘরের সামান্য টুকিটাক জিনিস দিয়েই ইঁদুরের উপদ্রব থেকে চিরতরে মুক্তি পেতে পারেন খুব সহজে।১/ গোল মরিচের ব্যবহার –
গোলমরিচের গন্ধ ইঁদুর একেবারেই সহ্য করতে পারে না। গোলমরিচের পানজেন্ট ধরণের ঘ্রাণ অর্থাৎ ঝাঁজ পূর্ণ ঘ্রাণ ইঁদুরের ফুসফুসে গেলে শ্বাস নিতে পারে না ইঁদুর। আর একারণে খুব সহজেই মারা পড়ে। যে সকল স্থানে ইঁদুরের উপদ্রব বেশী বা ইঁদুরের rat আবাস রয়েছে মনে করছেন সেসকল স্থানে গোলমরিচ গুঁড়ো করে ছড়িয়ে রাখুন। ইঁদুরের বংশ নির্বংশ করতে পারেবন খুজ সহজেই।

২/ তেজপাতার ব্যবহার –
তেজপাতা খুবই উপকারী একটি মসলা যা প্রত্যেকের ঘরেই রয়েছে। এই উপকারী মসলাটিও ইঁদুর থেকে বাঁচতে ব্যবহার করতে পারেন অনায়েসেই। তেজপাতাকে ইঁদুরেরা নিজেদের খাবার মনে করে। কিন্তু তেজপাতা খাওয়ার পর তারা এটি হজম করতে পারে না একেবারেই। তেজপাতা গুঁড়ো করে ছড়িয়ে রাখুন উপদ্রবের স্থানগুলোতে কিছুদিনের মধ্যেই ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন।

৩/ পেঁয়াজের ব্যবহার –
পেঁয়াজের অনেক গুনের মধ্যে আরও একটি অসাধারণ গুন হচ্ছে পেঁয়াজ দিয়ে খুব সহজেই ইঁদুরের উপদ্রব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। পেঁয়াজের উপাদান ইঁদুর হজম করতে পারে না। কিন্তু ইঁদুর খুব সহজেই পেঁয়াজে কামড় দিয়ে বসে। ইঁদুর যেখানে রয়েছে বলে মনে করছেন সে সকল স্থানে পেঁয়াজ টুকরো করে রেখে দিন। কিছুদিনের মধ্যেই ইঁদুর আর দেখতে পবেন না ঘরে।

৪/ পিপারমিন্ট অয়েল –
ইঁদুর পুদিনাপাতার গন্ধ সহ্য করতে পারে না, সেই সাথে পিপারমিন্ট অয়েলও অনেক কার্যকরী। এগুলর গন্ধ ইঁদুর একেবারেই সহ্য করতে পারে না। ঘরে পিপারমিন্ট অয়েল একটি তুলোর বলে লাগিয়ে ইঁদুরের উপদ্রবের স্থানে রাখলে বা ঘরে এমনিতেই ছড়িয়ে রাখলে ইঁদুরের উপদ্রব থেকে সহজেই মুক্তি পেতে পারেন। যদি ঘরে পিপারমিন্ট অয়েল না থাকে তাহলে, পুদিনা পাতা ছেঁচে অলিভ অয়েলে দিয়ে ফুটিয়ে নিন এবং ঠাণ্ডা করে ব্যবহার করতে পারেন।

সুত্রঃ প্রিয় লাইফ

No comments

  1. Excellent idea

  2. ভাল একটি পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *