চুল ঘন ও লম্বা করতে নিয়মিত পান করুণ ৫টি ফল ও সবজির রস

লম্বা,ঘন, আকর্ষণীয় চুল প্রতিটি নারীর কাম্য। রোদ, ধূলাবালি, দূষণ বিভিন্ন কারণে চুলের অনেক ক্ষতি সাধন হয়ে থাকে। এই কারণগুলোর জন্যই চুল পড়া বেড়ে যায়। চুল পড়া রোধ করে চুল ঘন করার জন্য আমরা বিভিন্ন প্যাক ব্যবহার করে থাকি।আমরা জানি কিছু খাবার আছে যা চুলের পুষ্টি জুগিয়ে ভিতর থেকে চুলের গোঁড়া মজবুত করে থাকে। ঠিক তেমনি এমন কিছু ফল ও  সবজির রস আছে যা নিয়মিত পান করলে চুল পড়া রোধ করে চুল ঘন ও সিল্কি হয়ে উঠবে।

১। গাজরের রস –
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেলে সমৃদ্ধ একটি সবজি গাজর। চুল ঘন ও লম্বা করতে গাজর রস অনেক বেশি কার্যকরী। আপনি চাইলে শুধু গাজর রস না খেয়ে এর সাথে আরও কিছু উপাদান যোগ করতে পারেন। গাজর, টমেটো, চেরী, আপলের টুকরা দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন এক গ্লাস গাজরের রস। প্রতিদিন এক গ্লাস গাজরের রস আপনার দেহে বিটা ক্যরটিনের চাহিদা পূরণ করার সাথে সাথে চুল ঘন ও লম্বা করে তোলে।

২। শসার রস –
শসাতে রয়েছে স্যালিক এবং মিনারেল যা দেহের প্রতিটি কোষের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। মাথার ত্বকের রক্ত চলাচল সচল রাখে এবং হিমোগ্লোবিন আপনার চুলের প্রতিটি কোষে প্রবাহিত হয়। শসার সাথে গাজর, আপেল বা টমেটো বা বিট বা লেবু রস যোগ করে তৈরি করে নিতে পারনে শসার রস। আবার আপনি চাইলে শুধু শসার রসও খেতে পারেন।

৩। আঙ্গুরের রস –
আঙ্গুরের রসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি। যা রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে রক্তে অক্সিজেন চলাচল বজায় রাখে। মাথার ত্বকের অক্সিজেন সরবারহ করে চুল পড়া রোধ করে থাকে।

৪। আদার রস –
বিভিন্ন রোগের ঔষধ হিসেবে আদার রসের জুড়ি নিই। এমনকি চুলের গোড়া মজবুত করতে আদার রস অনেক বেশি কার্যকরী। আপনি চাইলে আদার রস চুলের গোড়ায় ব্যবহার করতে পারেন। এটি মাথার ত্বকের কোষে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে থাকে। এমনকি এটি আপনার চুলকে মসৃণ ও চিকচিকে করে তুলবে।

৫। আমলকির রস –
চুলের গোড়া মজবুত করে চুল ঘন করে তুলতে আমলকির গুণ সম্পর্কে সবার জানা। প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট পাওয়া যায় আমলকি থেকে। প্রতিদিনকার খাদ্যতালিকায় আমলিকর রস রাখুন। অথবা আমলকির রস চুলের গোড়ায় নিয়মিত লাগাতে পারেন। এটি চুলের গোড়া মজবুত করে চুলকে সিল্কি করে তোলে।

লেখাটি রিভিউ করেছেন: আনিকা শাহ্‌জাবিন
পুষ্টিবিদ, খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ছবিটি ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত
তথ্যসুত্রঃ প্রিয় লাইফ