চোখের আকৃতি অনুযায়ী আইলাইনার লাগানোর কলাকৌশল

নারীদের সাজগোজের ক্ষেত্রে চোখের সাজ সবচাইতে বেশি প্রাধান্য পায়। আর চোখের সাজ Eye shaj কাজল বা আইলাইনার ছাড়া একেবারেই অসম্ভব। কিন্তু সমস্যা হয় তখনই যখন চোখের সাথে মানানসই করে আইলাইনার দিতে যাওয়া হয়। মোটা করে চোখ আঁকালে ভালো লাগবে নাকি চিকন করে অথবা একটু টেনে দিলে ভাল লাগবে কিনা তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যান। তাই আজকে জেনে নিন কোন আকৃতির চোখে কেমন আইলাইনার মানানসই।১) আমন্ড আকৃতি –
কাঠবাদামের আকৃতি অর্থাৎ সামনে একটু চোখা এবং শেষ কিনারার একটু আগে মোটা গড়নের চোখের আকৃতি হলে চোখের ভেতরের কর্নার থেকে আইলাইনার দেয়া শুরু করবেন এবং পুরো চোখের কার্ভ পারফেক্ট করে ঠিক করার জন্য যতোটা মোটা করে আইলাইনার দেয়া প্রয়োজন সেভাবেই চোখে লাইনার দেবেন। চোখের Eye শেষ কিনারায় গিয়ে একটু বেশি মোটা করে টেনে দেবেন কাজল। চোখের উপর এবং নিচের পাতায় কাজল দিয়ে কার্ভ ঠিক রাখুন, এতেই বেশ ভালো মানাবে।

২) গোলাকার চোখ –
গোলাকার চোখ বলতে আমরা বেশ বড় আকারের চোখের গড়নটাকেই বুঝি যার ভেতরের কিনার থেকে শেষ পর্যন্ত বেশ খোলা ধরণের হয়ে থাকে। এইধরনের চোখে উপরের পাতায় একেবারে কর্নার থেকে শুরু না করে একটু সরে এসে কাজল দেয়ার পদ্ধতিটি বেশি মানায়। চোখের বাইরের কিনারায় এসে কাজল মোটা করে একে দেবেন। এবং চোখের নিচের পাতার মাঝামাঝি থেকে কাজল দিয়ে চোখের শেষ কিনারায় এসে মিলিয়ে দিন। দেখবেন খুব মানানসই হবে।

৩) কোটরের গভীরে হলে –
চোখের কোটর একটু গভীরে হলে এমনিতেই চোখ একটু ছোটো দেখায়। তাই অনেক মোটা করে কাজল বা আইলাইনার দেয়া থেকে বিরত থাকুন। চোখের eye উপরের পাতার মাঝামাঝি থেকে যতোটা সম্ভব চিকণ করে আইলাইনার টানুন। এবং চোখের নিচের পাতার পাপড়ির নিচ দিয়ে চিকণ করে আইলাইনার টেনে নিন। এতে চোখ খোলা ও বড় মনে হবে।

৪) চোখের উপরের পাতা ফোলা ধরণের হলে –
চাইনিজ, জাপানিজ কিংবা আমাদের দেশের উপজাতি যারা আছেন তাদের চোখের গড়ন মূলত এই ধরণের হয়ে থাকে। তারা চোখের উপরের পাতার কিনার থেকে চিকন করে আইলাইনার টেনে চোখের পাতার শেষ কিনারে মোটা করে আইলাইনার দিন। চোখের নিচের পাতায় একেবারেই লাইনার দেবেন না। চোখের পাপড়ি কার্ল করে দিন।

৫) চোখ মুখের তুলনায় ছোট হলে –
নাক ও মুখের তুলনায় চোখের আকৃতি ছোটো হলে উপরের পাতায় চিকন থেকে মোটা করে আইলাইন দিয়ে টেনে দিন। এবং চোখের eye নিচের পাতার মাঝামাঝি থেকে আইলাইনার শুরু করে শেষ কর্নারে উপরের পাতার আইলাইনারের সাথে মিলিয়ে দিন। চোখের ভেতরের কর্নারে নিচের পাতায় সাদা আইশ্যাডো, কাজল বা হাইলাইটার দিয়ে নিন।

৬) চোখ মুখের তুলনায় বড় হলে –
নাক ও মুখের তুলনায় চোখের আকৃতি বড় হলে উপরের পাতায় মোটা করে আইলাইন দিয়ে টেনে দিন। এবং নিচের পাতায় পাপড়ির ভেতরের দিকে অর্থাৎ ওয়াটার লাইনে গাঢ় করে কাজল দিয়ে নিন। এতে চোখের আকৃতি একটু ছোটো দেখাবে যা মুখের face সাথে মানানসই হবে।

⇒ ভালো লাগলে প্লিজ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

সূত্র: প্রিয় লাইফ