চোখের যত্ন নিতে যা করনীয়

চোখের যত্ন নিতে যা করনীয়
চোখের যত্ন নিতে যা করনীয়

আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলর মধ্যে চোখ অন্যতম। চোখের গঠন বেশ জটিল৷ বিভিন্ন অংশ নিয়ে এই চোখ গঠিত, যেমন-কর্নিয়া আইরিস, রেটিনা,অ্যাকোয়াস হিউমার, ভিট্রিয়াস হিউমার, অপটিক নার্ভ ইত্যাদি৷ ঠিকঠাক দেখার জন্য কর্নিয়া থেকে অপটিক নার্ভ প্রত্যেকেই একটা নির্দিষ্ট ছন্দে কাজ করে। ছোট্ট বলের মতো এই চোখ থাকে হাড়ের মজবুত কোটরের মধ্যে৷ আর সামনের দিকের খানিকটা বেরিয়ে আসা অংশ ঢাকা থাকে চোখের পাতা দিয়ে। বাইরে দিয়ে চোখের সাদা যে অংশ দেখা যায় তাকে বলে স্কেলেরা। কিছু মাংস পেশী দ্বারা চোখ প্রয়োজন মতো ঘুরানো যায়৷

চোখের যত্নের পরামর্শঃ

১. অনেকের অভ্যাস থাকে বারবার চোখ ধোয়ার কিন্তু এটা ঠিক না। কারণ বারবার চোখ ধুলে চোখের পানির প্রয়োজনীয় উপাদানও ধুয়ে যায়। ফলে চোখের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়৷
২. ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার যেমন-টাটকা রঙ্গিন শাকসবজি,ফলমূল এবং ডিম দুধ খেতে হবে৷ ভিটামিন এ-র অভাব হলে রাতকানা রোগ হয়৷
৩. চোখে কিছু পড়লে রগড়ানো একদম উচিত না৷ পানি দিয়ে ধুতে হবে। দরকার মনে হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
৪. চোখে কোন প্রকার আঘাত লাগলে ঠান্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুতে হবে৷ চোখের আঘাত সাংঘাতিক বিপদ ডেকে আনে৷ তাই দেরী না করে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন৷
৫. বাচ্চা জন্মের পর চোখে কোন সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নিন৷
৬. স্কুলে ভর্তির আগে পারলে চোখের ডাক্তার দেখিয়ে নিন৷
৭. সকলের বছরে একবার চোখ পরীক্ষা করানো উচিত৷
৮. ডায়বেটিস থাকলে সুগার নিয়ন্ত্রনের সাথে সাথে অবশ্যই চোখ দেখানো উচিত৷ কেননা ডায়বেটিস চোখের সাংঘাতিক ক্ষতি করে৷

চোখের কিছু রোগর নাম নিম্নে দেওয়া হলো:
১.চোখে ছানি পড়া ২. অশ্রুথলি বা নালীর প্রদাহ ৩. চোখে বাইরের কিছু পড়া
৪. রাতকানা ৫. চোখ ওঠা ৬. গ্লুকোমা ৭. ট্র্যাকোমা
৮. টেরিজিয়াম ৯. টেরাচোখ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *