জেনে নিন জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির ৯টি উপকারিতা


যেকোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী সবার জন্য ভালো হয় না। তবে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী হিসেবে বড়ি যথেষ্ট কার্যকর। এর মাধ্যমে জন্মনিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যাও দূর করা সম্ভব। একটি বিজ্ঞান সাময়িকীর এক প্রতিবেদনে এ বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

১. মুখ ও গলার কালো দাগ নিরাময় :
মুখ ও গলায় একধরনের কালো দাগকে অনেকেই মেছতা বলেন। এ দাগগুলো কোনো বড় সমস্যা নয়। তবে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করলে এ দাগগুলো দূর হয়ে যায়। এস্ট্রোজেন হরমোনের কারণেই এমনটা হয় বলে জানা যায়।

২. মাসিকের যন্ত্রণা উপশম :
অনেক মেয়েকেই প্রত্যেক মাস শেষে যন্ত্রণাকর সময় পার করতে হয়। এ যন্ত্রণা কমাতে সহায়তা করে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি।

৩. অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ কমায় :
মাসিকে অনেক নারীরই অতিরিক্ত রক্ষক্ষরণ হয়ে থাকে। তবে এ রক্তক্ষরণ কমাতে সহায়তা করে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি।

৪. মেনোপজ পরবর্তী সমস্যা :
মেনোপজ পরবর্তী নারীদের কিছু শারীরিক ও মানসিক সমস্যা হতে পারে। এ সমস্যার মধ্যে মাথাব্যথা থেকে শুরু করে মুড খারাপ হওয়া পর্যন্ত থাকে। আর এ সমস্যা উপশম করতে সাহায্য করে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি।

৫. এন্ডোমেট্রিওসিস :
জননেন্দ্রীয় ও ক্ষেত্রবিশেষে (৪-১০%) উদরে এন্ডোমেট্রিওসিস কোষগুলো থাকে। সেখানেই প্রতি মাসে কোষগুলো বেড়ে ওঠে এবং মাসশেষে বের হয়ে যায়। এগুলো উদরে থাকলে তা থেকে প্রতি মাসে যন্ত্রণা তৈরি হয়। জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবনে এন্ডোমেট্রিওসিসের প্রভাবে হওয়া যন্ত্রণা কমে যায়।

৬. সংক্রমণ :
কিছু জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়িতে ব্যবহৃত উপাদান গর্ভাশয়ে ডিম্বানু প্রবেশ করতে বাধা দেওয়ার উদ্দেশে সেখানকার তরলগুলো ঘন করে দেয়। এতে করে সে স্থানের সংক্রমণও প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

৭. জরায়ুর টিউমার :
ত্রিশোর্ধ প্রতি পাঁচজনে একজন নারী জরায়ুর টিউমারে আক্রান্ত হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর অস্তিত্ব জানা যায় না। তবে এ বিষয়ক জটিলতা প্রতিরোধে কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি।

৮. জননেন্দ্রীয়ের ক্যান্সার :
জননেন্দ্রীয়ের ক্যান্সার নারীদের অন্যতম বড় শত্রু। আর এ ক্যান্সার প্রতিরোধে কিছুটা ভূমিকা রাখে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি।

৯. এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সার :
জরায়ুর আরেক ধরনের ক্যান্সারের নাম এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সার। এটি প্রতিরোধেও সামান্য ভূমিকা রাখে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি।