ঝরানো ওজন আর ফিরবে না এই ৫টি নিয়ম মেনে চললে

আপনি যে ওজন কমিয়েছেন তা যেন পুনরায় ফিরে না আসে এজন্য ফিটনেস বিশেষজ্ঞের গ্যারান্টিযুক্ত ৫ টি টিপস জেনে নিন এই ফিচারে। তবে তার আগে ওজন কমানোর পর আবার ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার প্রধান কারণগুলো জেনে নিই চলুন।
shajghor_secrete-weight– ওজন কমানোর আগের খাদ্যাভ্যাসে ফিরে যাওয়া। আপনি ওজন কমানোর লক্ষ্য অর্জন করে অনেকটুকু ওজন কমিয়ে ফেলেছেন বলেই আগের মতোই খাওয়া শুরু করে দিতে পারবেন এমনটা ভাবা উচিৎ নয়। কারণ আপনার নতুন ওজনের সাথে মানিয়ে যাওয়ার জন্য আপনার কম জ্বালানী প্রয়োজন এবং এই সময় আপনার বিপাকের হার ও কমে যায় বলে ক্যালরি কম পুড়ে। এই অবস্থা প্রায় ১ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়।

– বর্তমানের ব্যস্ত জীবনে স্ট্রেস মুক্ত থাকাটা খুবই কঠিন। আর গবেষণায় দেখা গেছে যে, মানুষ স্ট্রেসে ভুগলে তৈলাক্ত খাবার পছন্দ করে বেশি। ওজন কমানোর পড়ে স্ট্রেসের মাত্রা  নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে পুনরায় ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়।

– ওজন কমানোর জন্য ব্যায়াম করে ওজন কমে যাওয়ার পর আর ব্যায়াম না করা।

পুনরায় ওজন বৃদ্ধি ঠেকাতে ফিটনেস বিশেষজ্ঞের গ্যারান্টিযুক্ত ৫টি টিপস হচ্ছে –

১। বেশি প্রোটিন গ্রহণ করুন
আপনার ওজনের ৭৫ শতাংশ প্রোটিনের বিভিন্ন ধরণের উৎস যেমন- মাছ, চর্বিহীন মাংস, মটরশুঁটি, ডাল ইত্যাদি গ্রহণ করুন। কারণ এরা চর্বিহীন মাংসের ভর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। স্ট্রেন্থ ট্রেইনিং প্রোগ্রাম এবং প্রোটিনের সমন্বয়ের ফলে বিপাকের হার বৃদ্ধি পায় এবং সঠিক ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে।

২। খাওয়ার পূর্বে দুইবার ভাবুন
আপনি কি খাচ্ছেন তার প্রতি খেয়াল করুন। অস্বাস্থ্যকর ও ক্যালরিপূর্ণ খাবার বাদ দিয়ে আপনাকে জ্বালানী সরবরাহ করবে এমন খাবার খান। এর ফলে আপনি নিজেই স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার বেছে নিতে পারবেন। তবে সপ্তাহে একবার আপনার পছন্দের খাবারটি খেতে পারেন।

৩। নতুন ফিটনেস টার্গেট নির্ধারণ করুন
নতুন করে ওয়ার্ক আউট রুটিন তৈরি করুন এবং সেটি মেনে চলুন। এই রুটিন এমনভাবে করুন যাতে আপনি দীর্ঘদিন যাবৎ এটি মেনে চলতে পারেন।

৪। সারাদিন অল্প অল্প করে খান
অল্প অল্প করে কিছুক্ষণ পর পর খেলে বিপাকের হার বৃদ্ধি পায়। একজন ব্যক্তির দিনে ৪-৬ বার অল্প পরিমাণে খাওয়া ভালো এবং প্রতিবার খাওয়ার পর ৩ ঘন্টা বিরতি দিয়ে পরবর্তী খাবার খেতে পারেন।

৫। যত বেশি পারেন তত হাঁটুন
সারাদিন সক্রিয় থাকার চেষ্টা করুন এবং ১০,০০০ পদক্ষেপের কোটা পূরণ করার চেষ্টা করুন।  অফিসে বা বাসায় লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি দিয়ে উঠানামা করুন। যদি আপনার অফিস বাসা থেকে কাছেই হয় তাহলে সাইকেল চালিয়ে যেতে পারেন অফিসে।

⇒ ভালো লাগলে প্লিজ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন শেয়ার করতে √ এখানে ক্লিক করুন

লিখেছেন- সাবেরা খাতুন
তথ্যসুত্রঃ প্রিয়.কম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *