নারীদের বশ করার গোপন কৌশল!

একটি ব্যতিক্রমধর্মী পোস্ট –

নারীরা কেন সাধারণত আত্মনির্ভরশীল, ব্যক্তিত্ববান এবং রোম্যান্টিক পুরুষদের ভালোবাসেন? আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক পুরুষের মধ্যে কি কি বৈশিষ্ট্য থাকলে নারীর মন জয় করে নেয়া যায়?রসবোধ ও বুদ্ধিমত্তা:
পাত্রীর সঙ্গে প্রথম আলাপ? মেয়েরা সাধারণত একটু রসিক ছেলেদের ভালোবাসে। যে কোনো বিষয় নিয়ে উপস্থিত ভাবে রসালাপ করতে পারে এমন ছেলেদের প্রতি মেয়েরা বেশি আকৃষ্ট হয়। বুদ্ধিমান ছেলেরা নারীদেরকে বেশি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়।

মেয়েদের বিশেষ অঙ্গে তিল থাকলে কী হয়? জানতে এখানে Click করুন

আত্মবিশ্বাসী:
আত্মবিশ্বাসী ছেলেরা মেয়েদের আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকে সব সময়। দ্বিধাগ্রস্ত ছেলেদের প্রতি মেয়েরা আকৃষ্ট হয় না। একজন পুরুষ যত সুন্দর বা রূপবানই হোক না কেন সে যদি আত্মবিশ্বাসী না হয় তাহলে তার প্রতি কোনো মেয়ে নির্ভর করতে পারবে না।

উচ্চতা ও দৈহিক গড়ন:
বিভিন্ন জরিপে সর্বদাই দেখা গিয়েছে যে নারীদের পছন্দ অধিক উচ্চতার পুরুষ। চেহারার সৌন্দর্যের চাইতে মেয়েরা অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে পুরুষের উচ্চতা ও বলিষ্ঠ গড়নকে।

আত্মনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী:
নারীদের পছন্দের তালিকায় আত্মনির্ভরশীল পুরুষরা সব সময়েই অগ্রাধিকার পায়। নিজের উপার্জনে চলে এমন পুরুষই নারীর পছন্দ। বাবার উপার্জনে দিনযাপন করা ছেলেদের খুব একটা পছন্দ করেনা নারীরা। সম্মানিত পদবীতে চাকরী করে এবং স্বচ্ছল পুরুষদেরকে নারীরা তাদের পছন্দের তালিকায় রেখে থাকে।

পুরুষালী আচরণ:
নিজের সঙ্গীর কাছ থেকে নারী খোঁজে নির্ভরতা ও নিরাপত্তা। যে পুরুষ তাকে নিরাপত্তা দিতে পারে, নারীর চোখে তারাই পুরুষালী আচরণের অধিকারী। আর এই ধরনের পুরুষদের জন্য নারীর আকর্ষণ সর্বাধিক।

প্রাক কথন শেষ, এবার মূল পোস্টে যাওয়া যাক।

গবেষনা পত্রঃ

আগেই বলেছি যাদের সাক্ষাৎকার নিয়েছি তাদেরকে একটি প্রশ্নপত্র ধরিয়ে দিয়েছিলাম। কি ছিলো সেই প্রশ্নপত্রে? আসুন দেখি,

১। ছেলেদের কোন গুন গুলো আপনাকে মুগ্ধ করে?
২। ছেলেদের কোন কোন ব্যাপারগুলো আপনাকে বিরক্ত করে?
৩। কিভাবে অফার করলে আপনি পটে যাবেন বলে আপনার ধারণা?

এবার আসুন উত্তর গুলো দেখা যাক।

প্রথম প্রশ্ন ছিলো, ছেলেদের কোন গুন গুলো আপনাকে মুগ্ধ করে? উত্তরে পাওয়া গেছে বেশ কিছু ব্যাপার।

১। সততা
২। দায়ীত্ববোধ।
৩। ব্যাক্তিত্ব
৩। চমৎকার হাসি।
৪। রিক্সা খোঁজে দেওয়া।
৫। যে মেয়ে ও ছেলের মধ্যে পার্থক্য না করা।
৬। ইভ টিজিং–এ বাধা দেওয়া।
৭। সাবলীলতা।
৮। স্মার্টনেস।
৯। একাগ্র চিত্তে মনযোগের সাথে গল্প শোনার ক্ষমতা।
১০। কেয়ার করা।
১১। ভালো যত্ন নেয়া।
১২। সহজে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা।
১৩। অনেক কথা বলা(!)।
১৪। প্রানবন্ততা।
১৫। বুদ্ধিদিপ্ততা
১৬। প্রগতিশিল মানষিকতা।
১৭। পরোপকারী মনোভাব।
১৮। অন্যের বিপদে ঝাপিয়ে পড়ার মানষিকতা।
১৯। আশেপাশের মানুষদের সাথে সম্পর্কের ব্যাপারে যত্নবান হওয়া।
২০। কথায় কাজে মিল থাকা।
২১। মন গলানোর জন্য পাগলামো করা।
২২। দায়িত্বশীলতা ও বুদ্ধিমত্তা।

লম্বা চুল পাবার ৩টি ঘরোয়া পদ্ধতি জানতে এখানে Click করুন

এর মাঝে কিছু আজব টাইপের ব্যাপারও পাওয়া গেছে। যেমনঃ

– নিয়মিত মাইর খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
– মশারী টাঙ্গানোর ব্যাপারে পারদর্শী হতে হবে।

দ্বিতীয় এবং শেষ প্রশ্ন ছিলো কিভাবে অফার করলে আপনি পটে যাবেন বলে আপনার ধারণা?

এর উত্তরে পাওয়া গেছে বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার। মোটামুটি যাদেরকেই জিজ্ঞাস করেছি সবাই আলাদা আলাদা উত্তর দিয়েছেন। কেউ কেউ উত্তর দিতে চান নি। যাই হোক, নিচে সেগুলো তাদের জবানীতে দেয়ার চেস্টা করলামঃ

:“রেস্টুরেন্টে নিয়ে মধুর মধুর কথার সাথে বেশ ভালো কিছু খাওয়াতে হবে। এর ফাকে আস্তে করে হাতে গোলাপ ধরিয়ে দিতে হবে। তখন আমি যা বোঝার বুঝে নিবো”

:“কোন রকম ভনিতা না করে সহজভাবে বলতে হবে “I love you”

:”মন গলানোর পর ভদ্রভাবে করুণ সূরে অফার করলে।”

:”প্রথমে বন্ধু হতে হবে, আমাকে ভালোভাবে বুঝতে হবে, এরপরে ইন্টারেকশন খুব ভালো পর্যায়ে গেলে আমাকে তার ভালো লাগার কথা বলতে পারে, ঝামেলা করবোনা খুব একটা।”

:“অনেকদিন আমরা একা হেঠেছি, অনেকটা পথ, এসো এবার বাকিটা পথ হাত ধরে হাঠি বললে”

দুইজন ভালোবাসার দুটা সমীকরণ দিয়েছেন, সেগুলো তুলে দেওয়ার লোভ সামলাতে পারছিনা।

শ্রদ্ধা+বিশ্বাস+অনুভূতি=ভালোবাসা।

ঝগড়া+মিটমাট+অনুভূতি=ভালোবাসা।

পোস্টটিতে আমরা কাউকেই ছোট করতে চাইনি। তারপরেও সেরকম কিছু আপনার চোখে পড়লে অনুগ্রহ করে জানিয়ে দিলে বাধিত হবো। আমি সাথে সাথে সেটা মুছে দিবো।

> সংগৃহীত