নারীদের হার্ট অ্যাটাকের ৭টি লক্ষণ জানা জরুরী!

সাধারণত নারীদের হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো পুরুষদের সঙ্গে সব সময় মেলে না—বিশেষজ্ঞদের মতামত এমনই। উচ্চ রক্তচাপ, মানসিক চাপ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান ইত্যাদি হার্ট অ্যাটাকের কারণ।


হার্ট অ্যাটাকের মরণ ছোবল থেকে রক্ষা পেতে ছোট্ট কিছু লক্ষণ রয়েছে, সেগুলো জানা জরুরী।

১. অবসন্নতা –
বিশেষজ্ঞরা বলেন, হার্ট অ্যাটাকের পর অন্তত ৭০ শতাংশ নারী অভিযোগ করেন, যে মাসে হার্ট অ্যাটাক হয়েছে, সে মাসে একটু বেশিই অবসন্ন লেগেছিল তাঁদের। এ সময়ে তাঁদের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি অবসন্ন লেগেছিল।

২. ঘুমের অসুবিধা –
অবসন্নতার পাশাপাশি ঘুমের অসুবিধা হয়। হার্ট অ্যাটাকের Heart Attack মাসখানেক আগে থেকেই কম ঘুমের সমস্যা হতে থাকে। তাই ঘুমের সমস্যা হলে বিষয়টি এড়িয়ে যাবেন না।

৩. উদ্বেগ ও মানসিক চাপ –
মানসিক চাপ হার্ট অ্যাটাকের জন্য একটি ঝুঁকির কারণ। গবেষণায় বলা হয়, অনেক নারীই হার্ট অ্যাটাকের আগে ভীষণভাবে মানসিক চাপের ভেতর সময় পার করেন। তাই উদ্বেগ থাকলে একে সামলানোর চেষ্টা করুন।

৪. হজমে সমস্যা এবং বমি বমি ভাব –
হার্ট অ্যাটাকের Heart Attack আগের সময়টায় সাধারণত পাকস্থলীতে ব্যথা, ইনটেসটাইনাল ক্রাম্প, বমি বমি ভাব এবং হজমে সমস্যা ইত্যাদি হতে দেখা যায়। তাই এ ধরনের বিষয় এড়িয়ে না গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৫. শ্বাস ছোট হয়ে আসা –
ফুসফুসে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো না হলে এটি পর্যাপ্ত পরিমাণ বাতাস গ্রহণ করতে পারে না। এতে শ্বাস ছোট হয়ে আসে, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।কাজকর্ম করার সময় বা সিঁড়ি দিয়ে উঠতে গেলে ভালোভাবে শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। হার্ট অ্যাটাকের একটি অন্যতম কারণ এটি। এ রকম হলে আগে থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৬. ঠান্ডা ও ফ্লু হওয়া –
অনেকেরই হার্ট অ্যাটাকের আগে ঠান্ডা ও ফ্লু হয়ে থাকে। এ ছাড়া ঘর্মাক্ত ত্বক বা মাথা ঘোরানোর সমস্যা হতে পারে। এসব সমস্যা সহজে সারতে চায় না। হার্ট অ্যাটাকের আগে এ রকম লক্ষণ দেখা যায়।

৭. চোয়াল, কান, ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা ছড়ানো –
অনেক নারীই বলেন, হার্ট অ্যাটাক হলে বুকের বাঁ পাশ ব্যথা শুরু হয়ে চোয়াল, কান, ঘাড় ও কাঁধের দিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এ সময় পেশিতে টানটান ভাব অনুভূত হয়। এসব সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।