পাতলা ভ্রু ঘন করার প্রাকৃতিক উপায় জেনে নিন!

ঘন ভ্রু হলে থ্রেডিং করে পছন্দমতো আকার দেওয়া যায়। কিন্তু যাঁদের ভ্রু স্বাভাবিকভাবেই পাতলা, তাঁরা কী করবেন। চোখের পাপড়ি পাতলা হলেই বা সমাধান কী। প্রাকৃতিকভাবে পাতলা ভ্রু Thin eyebrows ও পাপড়ি কি ঘন করা সম্ভব? জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।রূপবিশেষজ্ঞ আমিনা হক জানালেন, অনেক সময় খুশকি বা ত্বকে ছত্রাকের সংক্রমণের কারণে পাপড়ি ও ভ্রু eyebrows পড়ে যেতে শুরু করে। খারাপ মানের প্রসাধনী ব্যবহার এবং প্রসাধনী ব্যবহারের পর ঠিকমতো পরিষ্কার না করলেও এমন হতে পারে বলে জানিয়েছেন রূপবিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমিন। তাঁর মতে স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে অর্থাৎ অভ্যন্তরীণ সুস্থতা না থাকলে বাহ্যিক রূপ কখনোই সুন্দরভাবে ফুটে উঠবে না, তা ত্বকের ক্ষেত্রেই হোক কিংবা চুলে।

রূপবিশেষজ্ঞরা জানান, ক্যাস্টর ওয়েল বা তিলের তেল তুলায় ভিজিয়ে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ভ্রুতে আলতো করে কিছুক্ষণ ঘষলেও প্রাকৃতিকভাবে ভ্রু ঘন হয়ে ওঠে। তবে এটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার, এ জন্য ধৈর্য ধরতে হবে।

ভ্রু ও পাপড়ি ঘন দেখাতে যা যা করতে পারেন –

* মেকআপের সময় ভ্রু ঘন দেখানোর জন্য কালো বা বাদামি আইব্রও পেনসিল, ব্ল্যাক ডাস্ট পাউডার ইত্যাদির সাহায্যে ভ্রু এঁকে মোটা ও ঘন দেখানো যায়।

* ভ্রু আঁকার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ভ্রুর শুরুতে হালকা করে, মাঝের অংশ একটু গাঢ় এবং একদম শেষের ধারটা চিকন করে আনতে হবে। তা না হলে কৃত্রিম মনে হবে।

* পাপড়ি ঘন দেখানোর জন্য মাসকারা তো সব সময় ব্যবহার করা যায়। কয়েক পরত ব্যবহার করলে তা আরও ঘন দেখাবে। তবে প্রতিবার দেওয়ার পর পরবর্তী পরত মাসকারা দেওয়ার জন্য আগেরটি শুকিয়ে নিতে হবে।

* কৃত্রিম পাপড়িও ব্যবহার করা যেতে পারে। অল্প ঘন, বেশি ঘন বেশ কয়েক রকমের কৃত্রিম আইল্যাশ বা পাপড়ি বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। বয়স ও পরিবেশ বুঝে তা ব্যবহার করতে পারেন।

মনে রাখুন –

* চোখে যেকোনো প্রসাধনী ব্যবহারের ক্ষেত্রে তার মান এবং মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া দরকার।

* আই মেকআপ রিমুভার বা কোনো ভালো লোশন দিয়ে খুব ভালোমতো চোখের মেকআপ তুলে ফেলুন।

* চোখের মেকআপ makeup তোলার জন্য পরিষ্কার তুলা বা কাপড় ব্যবহার করবেন। টিস্যু পাতলা থাকে বলে তা ভিজে চোখের ভেতর রিমুভার ঢুকে যাওয়ার ভয় থাকে। কিংবা টিস্যুর অংশও ঢুকে যেতে পারে।

* খুশকি হলে চুলকানো এবং চোখ জোরে জোরে ঘষাঘষি করবেন না।

* নিয়মিত প্রোটিন এবং ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খান।

√ লেখাটি ভালো লাগলে প্লিজ শেয়ার করবেন শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন