পেটের মেদ কমানোর অসাধারণ ৭টি টিপস

পেটের মেদের সাথে খাবারের অনেক বড় একটি সম্পর্ক রয়েছে। তাই একবারে বেশি না খাওয়ার অভ্যাস করুণ। কারন বেশি খাবার, ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার মূলত পেটের মেদ বাড়ায়। নিয়মিত ব্যায়াম এবং এমন সব খাবার খাবেন যা খেলে পেটের মেদ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

১. পেটের মেদ কমানোর জন্য সর্ব প্রথম কাজ হচ্ছে যোগা-ব্যায়াম। শুধু পেটের ব্যায়ামই নয়, করতে হবে পুরো শরীরের ব্যায়াম। পুশ-আপ, পুল-আপ করতে হবে। দড়িলাফ করতে পারলে সব চাইতে ভালো এক সপ্তাহে পেটের মেদ কমাতে চাইলে প্রতিদিনের ব্যায়ামে আপনাকে ৫০০ থেকে ৬০০ ক্যালোরির মতো ক্ষয় করতে হবে।

২. দিন শুরু হোক পাতিলেবু ও পানি দিয়ে। প্রতিদিন সকালবেলা নিয়ম করে এক গ্লাস লেবু গরম পানি খান। লেবুর রসের পরিমাণ বেশি রাখার চেষ্টা করুন। সকালের ব্রেকফাস্টের আগে কোনো একটা ফল বা অনেকটা পানি খান। মনে রাখবেন, পানি মেদ ঝড়াতে মোক্ষম ওষুধ। এছাড়া খাবারের চাহিদা কমে যাবে। দিনে প্রচুর পরিমাণ পানি খান।

৩. রসুন খেতে পছন্দ না হলেও রসুন পেটের মেদ কমাতে বেশ কার্যকরী একটি খাবার। এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক এবং রক্তের সুগারের মাত্রা কমাতে বেশ সহায়ক বলে পেতে মেদ জমতে বাধা প্রদান করে। তাই পেটের মেদ থেকে মুক্তি পেতে চাইলে প্রতিদিন রসুন খাওয়া উচিৎ।

৪. পেটের মেদ কমাতে খাবার থেকে চিনি এবং কার্বোহাইড্রেট বাদ দিতে হবে। কার্বোহাইড্রেট সামান্য রাখতে পারেন দেহের এনার্জির মাত্রা ঠিক রাখার জন্য। কিন্তু অবশ্যই চিনি বাদ দিতে হবে। মাছ এবং মুরগীর মাংস, প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান। এবং প্রতিদিন একটি বা দুটি তাজা ফল খেতে হবে। বিশেষ করে টক জাতীয় ফল। যেকোনো খাবরাই খান না কেন, ততে নুনের ভাগ যেনও খুব কম থাকে।।

৫. মশলাবর্জিত খাবারে ব্যবহার করুন শুধু দারচিনি, গোলমরিচ ও আদা। এইসব মশলা পেটের মেদ দূর করতে সাহায্য করে। রসুনও পেটের মেদ দূর করে। আদা এবং রসুন কাঁচা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন এতে শুধু মেদই নয়, সর্দি-কাশি ও নানাধরমের রোগ সেরে যায়। খাবারে কাঁচালঙ্কার ঝাল ব্যবহার করুন।

৬. আপেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, পটাশিয়াম এবং ফাইবা। যা অনেকটা সময় ধরে পেটে থাকে এবং ক্ষুধার উদ্রেক কমায়। সকালের নাস্তা কিংবা বিকেলের খাবারে অথবা রাতে কোনো ভারী খাবারের পরিবর্তে আপেল খেলে তা পেটের মেদ কমাবে।

৭. পেটের পেশী অর্থাৎ অ্যাবডোমিনাল পেশীর ব্যায়াম করতে হবে সপ্তাহে তিন দিন। ক্রাঞ্চ এবং পায়ের ব্যায়াম তিন সেটে ২০ বার করে করতে হবে প্রতিবার। কুনুইএর মাধ্যমে পুশ-আপের ব্যায়াম করার অভ্যাস করতে হবে। এতে এক সপ্তাহের মধ্যে পেটের মেদ কমে যাবে।

One comment

  1. Very good

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *