প্রতিদিন ব্যবহৃত কসমেটিক্সগুলো ত্বক এবং স্বাস্থ্যের যেসব ক্ষতি করছে

নারীরা প্রায় প্রতিদিন কসমেটিক্স ব্যবহার করেন। সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কসমেটিক্সের সাহায্য নিয়ে থাকেন প্রায় সকল নারীই। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই কসমেটিক্স আপনার ত্বকের ক্ষতির কারণ? কসমেটিক্সে আছে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান, যা আপনার ত্বক এবং স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে তিল তিল করে। প্রতিদিন যে কসমেটিক্স ব্যবহার করছেন তা ত্বকের জন্য কতটা ক্ষতিকর আজ আপনাদেরকে তা জানিয়ে দেয়ার ছোট্ট চেষ্টা থাকবে এই লেখায়।
১। লিপস্টিক
প্রায় প্রতিটি নারীর প্রতিদিন ঠোঁট রাঙাতে ব্যবহার করেন লিপস্টিক। লিপস্টিক ঠোঁটের ময়েশ্চারাইজ শুষে নেয়। এতে ব্যবহৃত কেমিক্যাল, ক্ষতিকর লেড ঠোঁটের  লোমকূপ বন্ধ করে এবং কোষের স্থায়ী ক্ষতি করে।

২। কাজল
অনেকেই চোখের সাজ বলতে কাজল অথবা আইলাইনারকে বুঝিয়ে থাকেন। কাজল ব্যবহারে চোখের অনেক ক্ষতি হয়ে থাকে। কাজলের রাসায়নিক পর্দাথ চোখ শুষ্ক করে, কঞ্জাক্টিভাইটিস, ইউভাইটিস্ম গ্লুকোমাসহ চোখের নানা ইনফেকশনের কারণ হতে পারে। এছাড়া চোখের সার্জারি অথবা চোখের কোন সমস্যার সময় কোন প্রকার চোখের কসমেটিক্স ব্যবহার করা উচিত নয়।

৩। নেলপলিশ
নখ রাঙাতে নেলপলিশের জুড়ি নিই। অতিরিক্ত নেলপলিশের ব্যবহার নখ তার কোমলতা হারিয়ে ফেলে। নখের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পায়, এবং হারিয়ে ফেলে তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য।

৪। ট্যালকম পাউডার
গরমে স্বস্তি পেতে প্রায় সবাই ব্যবহার করেন ট্যালকম পাউডার। বেশিরভাগ ট্যালকম পাউডারে কার্সিনোজেনিক নামক উপাদান রয়েছে যা ত্বকের ক্ষতিকর করে। অ্যালার্জি, ইনফেকশনসহ ত্বকের নানা ক্ষতি করে থাকে এই পাউডার। এটি অনেক সময় ওভারিন ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়!

৫। ব্লিচ ক্রিম
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে ব্লিচ ক্রিমের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয় নারীদের মাঝে। ব্লিচ ক্রিমে হাইড্রোকিউনোনি নামক উপাদান রয়েছে যা ত্বক শুষ্ক করে। ত্বকে র‍্যাশ, জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে থাকে। এছাড়া এটি অতিরিক্ত ব্যবহার ত্বকের স্থায়ী ক্ষতি করে থাকে।

৬। হেয়ার কালার
হেয়ার কালার ব্যবহার করার আগে এর প্রভাব সম্পর্কে জেনে নেওয়া উচিত। চুল রুক্ষ, প্রাণহীন, আগা ফাটা, ত্বকের জ্বালাপোড়া, মাথার তালু চুলকানি সহ নানা সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। হেয়ার কালারে P-Phenylenediamine নামক উপাদান ক্যান্সার, প্রজনন প্রজনন ক্ষমতায় সমস্যা, অ্যালার্জি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হওয়া, ত্বকের ইনফেকশন, ফুসফুসের ইনফেকশনের মত রোগের জন্য দায়ী।

⇒ ভালো লাগলে প্লিজ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন শেয়ার করতে √ এখানে ক্লিক করুন

লিখেছেন- নিগার আলম
তথ্যসুত্রঃ প্রিয় লাইফ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *