বিয়ে করলে তো জীবন শেষ!

সমাজে ইতিবাচক চিন্তার মানুষ কম কি-না জানি না। কিংবা পরিস্থিতি ইতিবাচকভাবে কেমন করে সামলাতে হয় তা-ও হয়তো আমাদের অজানা। যে কারণে নিজেদের এই অজ্ঞতা ও অক্ষমতাকে পুঁজি করে আমরা অনেক সময় অন্যকে ভয় দেখাই বা হতাশ করে দিই।


যেমন- ‘বিয়ের পর আর পড়াশুনা হবে না, বউ পালা (পোষা) হাতি পালার সমান, নিজের মত চলবে না, জীবন শেষ!’- ইত্যাদি নৈতিবাচক চিন্তা দিয়ে ছেলে-মেয়েদের ভড়কে দেয়। ফলে, বিয়ে করার প্রয়োজন থাকলেও নিজের জীবনের কথা চিন্তা করে অনেকেই বিষন্নতায় ভোগে। যদিও বাস্তবতা ভিন্ন।

অনেক পরিবারেই দেখছি, বিয়ের পরে স্ত্রীরা পড়াশুনা ও স্বেচ্ছায় লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই সাথে পাচ্ছেন স্বামীর সহায়তা। হ্যাঁ, এবার অনেকে হয়তো বলতে পারেন- সবার জীবন সঙ্গী কি আর এক রকম হয়? সেক্ষেত্রে বলবো- আমরা মূলত ভালো সঙ্গী পাওয়ার চেষ্টা করি না।

আমাদের বিয়ে পূর্ববর্তী শর্তে গলদ রয়েছে। শর্ত ঠিক করে আমরা আমাদের মা-বাবাদের সাথে বিয়ে নিয়ে নিঃসঙ্কোচে উত্তম পন্থায় কথাও বলি না, তাদেরকে বুঝাই না। নিজের বিয়ে নিয়ে আল্লাহ’র কাছে দোয়াও করি না। তাহলে হবে কিভাবে?

দোষ দিয়ে তো লাভ নাই! যেখানে স্বয়ং আল্লাহ সূরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াতে জীবন সঙ্গীর জন্য দোয়া শিখিয়ে দিয়েছেন- ‘Our Lord, give us joy in our spouses and offspring. Make us good examples to those who are aware of You’. অর্থাৎ,’হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রী ও সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর। এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর’।

সুতরাং, নৈতিবাচক চিন্তা বাদ দিয়ে সঠিক সময়ে বিয়ে করে সুন্দর ও পবিত্র জীবন যাপন শুরু করা উচিত।