মশা তাড়ানোর চমৎকার ঘরোয়া কৌশল

কানের কাছে মশার গুনগুন শব্দে আরামের ঘুম হারাম হয়ে যায়। ডেঙ্গু, ইয়োলো ফিভার, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হতেও মশার একটি কামড়ই যথেষ্ট।

আমাদের দেশে প্রতি বছর অনেক মানুষ মারা যায় মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ।বেঁচে থাকলেও ভোগান্তির অন্ত থাকে না। তাই আগে থেকেই থাকা চায় সচেতন। আজ আপনাদের জন্য দেয়া হল মশা দূর করার চমৎকার কিছু কৌশল।

রসুন –
মশা তাড়ানোর খুব ভাল উপকরণ রসুন। কয়েকটা রসুনের কোয়া একটু থেঁতো করে পানিতে ফুটিয়ে নিন। এরপর এই পানি ঘরে স্প্রে করলে মশা ঘরের ধারে কাছে আসতে পারবে না।।

নিম তেল –
নিম তেল আর নারকেল তেল সম পরিমাণে মিশিয়ে শরীরের খোলা অংশে মেখে নিন। এবার সব চিন্তা ঝেড়ে ফেলে ঘুমিয়ে পড়ুন। কারণ শরীর থেকে যে গন্ধ বের হয় তা মশা দূরে রাখতে দারুন কার্যকর। অন্তত আট ঘণ্টা আপনার কাছে মশাকে ভিড়তে দিবে না।

ইউক্যালিপটাস লেবু তেল –
ইউক্যালিপটাস আর লেবু তেলে একধরনের উপাদান পাওয়া যায় যার নাম ‘cineole’। সম পরিমাণে ইউক্যালিপটাস আর লেবু তেল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার গায়ে মেখে নিলে যে যেকোনো পোকামাকড় আপনার থেকে দূরে থাকবে।সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়াতে এই উপকরণের জুড়ি নেই।

কর্পূর –
এটা মশা তাড়াতে কর্পূর দারুন ভূমিকা রাখতে সক্ষম। ঘরের এক কোণায় কর্পূর জ্বালিয়ে ঘরের সব দরজা জানালা বন্ধ করে দিন। ১৫, ২০ মিনিট পর ঘরে গিয়ে একটাও মশা খুঁজে পাবেন না।

টি ট্রি অয়েল –
এই তেলের গন্ধ আর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টি মশা তাড়িয়ে দেয়। টি-ট্রি অয়েল শরীরের খোলা অংশে লাগাতে পারেন বা কয়েক ফোঁটা তেল ভেপোরাইজারে দিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

তুলসী গাছ –
তুলসী গাছ মশার ডিম এবং মশা মেরে ফেলে। জানালার কাছে তুলসী গাছ লাগান। বাড়ির কাছে তুলসী গাছ থাকলে মশা ঘরের ভিতর ঢুকবে না। আর মশাও জন্মাতে দেবে না।

পুদিনা গাছ –
পুদিনা গাছও মশা দূরে রাখে। পুদিনা গাছকে অনেক ভাবে ব্যবহার করা যায় মশা তাড়ানোর জন্য। পুদিনার তেল ভেপোরাইজারে ব্যবহার করতে পারেন। বাড়ির বাইরে পুদিনা গাছ লাগালেও মশা মাছি দূরে থাকবে। এমনকি মিন্টযুক্ত মাউথ ওয়াশ পানির সঙ্গে মিশিয়ে ঘরে স্প্রে করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *