মেছতাকে না বলুন দুটি পদ্ধতিতে

যদি মেছতা প্রতিরোধ করতে চান,তাহলে অব্যশই ত্বক পরিস্কারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। ত্বক ছোঁয়ার আগে অব্যশই হাত ধুয়ে নিবেন, সবসময় নিজের তোয়ালে, লেপ পরিষ্কার রাখুন । প্রতিদিন সকাল ও রাতে চেহারা পরিস্কার করুন এবং নারীরা মেক-আপ করার পর অব্যশই ভালভাবে নিজেদের চেহারা পরিস্কার করুন, যাতে ত্বকে রোগজীবাণু না জন্মায়। প্রতি রাতে নিয়মিত ভাবে ঘুমান কারন কারণ চামড়ার স্বর্ণ রাসায়নিক রূপান্তরের সময় হল রাতে ১১টা থেকে ভোর ২টা পর্যন্ত। যথেষ্ট ঘুম মেছতা প্রতিরোধ করার পাশাপাশি আরো অনেক রোগ প্রতিরোধ করে।

আসুন জেনে নিই মেছতাকে প্রতিরোধ করার দুটি মাস্কঃ

১. ডিম ও লেবু রস:
কিছু লেবু রস এবং একটি ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে করুন তার পর চেহারায় রেখে দেন। অর্ধেক ঘন্টা পর পানি দিয়ে তা ধুয়ে ফেলুন। অব্যাহতভাবে দু’সপ্তাহ ব্যবহার করলে আপনার ত্বকের সূক্ষ্মরন্ধ্র ছোট হয়ে যাবে, ফুস্কুড়িও কমে যাবে এবং চামরা আরো নরম ও ফর্সা হবে।

২.ঘৃতকুমারী পাতার রস, শসা ও মধু:
ঘৃতকুমারী পাতার রস বিষাক্ত উপাদানের প্রতি বিশেষ ভুমিকা পালন করতে পারে। এ জন্য চেহারা মেচেতার ওপর কিছু ঘৃতকুমারী পাতার রস রেখে দেয়, চেহারার ত্বকের নরম হবে এবং কিছু ক্ষতচিহ্ন দেখা যায় না। যদি আপনার মুখের মেছতা খুব গুরুতর, তাহলে ঘৃতকুমারী পাতার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে খান, প্রতিদিন দু’বার ,প্রত্যেকবার ১০ মিলিলিটার, কার্যকরভাবে মেচেতা প্রতিরোধ করা যায়।

ঘৃতকুমারীর একটি পাতা, মধু এ একটি ছোট শসা ছোট করে মিশিয়ে মাস্ক করুন এবং মেছতার ওপর রেখে দেন, চামরার ফুস্কুড়িও প্রতিরোধ করতে পারে।

বিঃ দ্রঃ যাদের মুখে মেছতা আছে তাদের মেক-আপ না করা ভালো। কারণ যেসব মেক-আপ ক্রিম ত্বকের সূক্ষ্মরন্ধ্রের স্বাভাবিক রূপান্তর বাধা দেবে এবং মুখের মেছতা গুরুতর হবে।

যা কম খাবেন এবং বেশি খাবেনঃ
যদি চোকলেট, মিষ্টি, কফি খেতে পছন্দ করেন ,তাহলে এসব খাবার কম খাওয়া ভালো । কারণ বেশি চিনি উপাদান খেলে সহজভাবে মেছতা সৃষ্টি হয়। ঝাল খাবার পছন্দকারীরা কম ঝাল খাওয়াও ভালো। ঝাল খাবার মুখের ফুস্কুড়িও ত্বরান্বিত করে। বেশি ফল খেলে, শরীর যথাযথভাবে প্রয়োজনীয় ভিটামিন গ্রহণ করবে, ফলে মেছতা কম হবে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *