রিবন্ডিং চুলের যত্ন ও সমস্যার সমাধান

লম্বা ঝলমলে চুল কে না চায়। ফ্যাশনে সোজা চুলের কদর খুবই বেশি। ফলে বিউটি পার্লার গুলোতে চুলের রিবন্ডিং এর জন্য মেয়েদের ভিড় চোখে পরার মতো। তবে রিবন্ডিং চুল দেখতে যেমন আকর্ষনীয় তেমনি এর রক্ষণাবেক্ষনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

রিবন্ড করা চুল যত্নের অভাবে ভেঙে যায়, রুক্ষ হয় ও পড়ে যায়। এ জন্য অতিরিক্ত যত্নের প্রয়োজন।

শ্যাম্পু করার আগে –
রাতে নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল চুলে ম্যাসাজ করে দিন। এরপর মোটা দাড়ের চিরুনি দিয়ে কিছুক্ষণ চুল আঁচড়ে নিন। গোসলের আগে গরম পানিতে তোয়ালে চুবিয়ে আধা ঘণ্টা চুল পেঁচিয়ে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করুন। এতে রক্ত সাঞ্চালন বাড়বে। চুলের রুক্ষভাব কমবে।

শ্যাম্পু করা –
সপ্তাহে অন্তত তিনবার শ্যাম্পু করুন। কারণ এ ধরনের চুল খোলা রাখায় দ্রুত ময়লা হয়। তবে বেশি শ্যাম্পু করায় চুল রুক্ষ হলে মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। শ্যাম্পু করার পর অবশ্যই কন্ডিশনার দিন।

উপযোগী প্যাক –
ডিম একটা, ক্যাস্টর অয়েল এক চামচ, লেবুর রস এক চামচ, মধু এক চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে মাথার স্ক্যাল্পে লাগান। এরপর শাওয়ার ক্যাপ বা তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করুন।

সমস্যা ও সমাধান –

– চুল নিস্তেজ হয়ে পড়লে শ্যাম্পু করার পর দুই লিটার পানিতে কয়েক ফোঁটা ভিনেগার মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। এতে চুলের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

– চুল ভেঙে গেলে সপ্তাহে একবার হট অয়েল ম্যাসাজ করুন।

– খুশকির সমস্যা বাড়লে মাথার স্ক্যাল্পে লেবু বা পেঁয়াজের রস লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন।

– চুল রুক্ষ হলে গোসলের পর এক মগ পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। চুল মসৃণ হবে।

– চুল সিল্কি করতে চার কাপ পানিতে চা-পাতা ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে ছেঁকে সেই পানিতে চুল ধুয়ে নিন।

__শেয়ার করতে ভুলবেন না__

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *