শীতে কোমল ত্বক পাওয়ার সহজ উপায় জেনে নিন!

যতই আড়াল করে রাখুন আপনার ত্বককে, শীতের ঠাণ্ডা হাওয়া আপনাকে ছোবেই। আর এই হাওয়াই শুষ্ক করে দেবে আপনার ত্বককে।

শুধু আপনার বাহ্যিক ত্বকই নয় রুক্ষ হবে আপনার আবৃত ত্বকও। সাধারণ লোশন হয়ত সাময়িক সময়ের জন্য আপনার ত্বককে মসৃণ করবে কিন্তু রুক্ষতা দূর করতে প্রয়োজন হবে আরো যত্নের।

→ গোসলের সময় –

শরীরের ত্বকের যত্নের আসল হচ্ছে শীতের গোসল। স্বাভাবিকভাবেই হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করবেন, পাশাপাশি নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন-

⇒ সাবানের পরিবর্তে লিকুইড সোপ :
এই শীতে সাধারণ সাবান আপনার ত্বককে আরো রুক্ষ করে তুলবে, তাই সাবানের পরিবর্তে ব্যবহার করুন লিকুইড সোপ, ভালো হয় যদি বেবি লিকুইড সোপ ব্যবহার করেন।

⇒ ত্বকে ব্রাশ করুন :
লিকুইড সোপ দেওয়া অবস্থায় বডি ব্রাশার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে নিন। এতে পুরো শরীরে জমে থাকা মৃত কোষগুলো উঠে যাবে এবং এতে শুষ্ক ত্বকের চুলকানি কমবে।

⇒ বডি স্ক্রাবার :
বর্তমানে বেশ ভালো মানের বডি স্ক্রাবার মার্কেটে পাবেন যা ভেষজ তেল ও বিভিন্ন ফলের নির্যাসে তৈরি করা হয় এবং তা ত্বক নরম করতে সাহায্য করে। এসব বডি স্ক্রাবার দিয়ে ঘাড়, হাতের কুনুই, হাঁটু, পায়ের গোড়ালি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অংশে ব্যবহার করুন। বডি স্ক্রাবারের ক্রিম আপানার ত্বককে আরো পরিষ্কার ও স্বাস্থ্য উজ্জ্বল দেখাবে।

→ গোসলের পর –

⇒ বডি লোশন বা বডি অয়েল :
ত্বক আদ্র থাকা অবস্থায় ভালো মানের বডি লোশন পুরো শরীরে লাগিয়ে নিন। ত্বক যদি অতি শুষ্ক হয়, তাহলে লোশনের বদলে বডি অয়েল/অলিভ অয়েল/ বায়ো অয়েল ব্যবহার করুন। এগুলো আপনার ত্বকে দীর্ঘক্ষণ ময়েশ্চার রাখতে সাহায্য করবে।

⇒ গ্লিসারিন :
হাতের কুনুই, হাঁটু, পায়ের গোড়ালি ইত্যাদি স্থানে গ্লিসারিন অল্প পানি বা লোশনের সঙ্গে মিশিয়ে লাগিয়ে নিতে পারেন। গ্লিসারিন পা ফাটা রোধ করে এবং ত্বক উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে।

→ রাতে ঘুমানোর আগে –
রাতে শোবার ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে ভালো মানের ভেসলিন ও লোশন একসঙ্গে মিশিয়ে হাতে ও পায়ে ভালো করে মেখে নিন। খেয়াল রাখবেন আঙুলের ফাকগুলোতেও যেন লোশন লাগানো হয়। পা ফাটার সমস্যা থাকলে মোটা মোজা পড়ে ঘুমাবেন। রাতে ত্বক আরো মসৃণ ও নরম হতে সাহায্য করবে।

সপ্তাহে অন্তত ৪ দিন এ পদ্ধতিতে নিজের যত্ন নিন এবং শীতেও আপনার ত্বককে রাখুন কোমল।

তথ্যসুত্রঃ রাইজিংবিডি