শুষ্ক ত্বক এড়াতে শীতের আগেই প্রস্তুতি নিন

ধীর পায়ে এগিয়ে আসছে শীতকাল, সঙ্গে আসছে শুষ্ক ত্বকের বিড়ম্বনা। এই বিড়ম্বনা এড়াতে ত্বকের জন্য বেছে নিতে হবে ক্রিমজাতীয় প্রসাধনী এবং তেল।

শীতের আগে ত্বক কোমল এবং সুন্দর রাখার কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জানিয়েছেন ভারতের আল্পস বিউটি ক্লিনিকের রুপচর্চা বিশেষজ্ঞ ভারতি তানেজা।

ক্রিমজাতীয় প্রসাধনী –
জেলজাতীয় ফেইস ওয়াশ, ক্রিমগুলো তুলে রেখে দিয়ে ক্রিমজাতীয় প্রসাধনী ব্যবহার শুরু করতে হবে। ক্রিমজাতীয় প্রসাধনী সাধারণত তৈলাক্ত হয়। এটি ত্বকের উপর সুরক্ষা কবচ তৈরি করে যা শীতের দিনগুলোতে অনেকক্ষণ পর্যন্ত ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে।

সানস্ক্রিন –
শীতের আভাস দেখা দিলেই সানস্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ করে দেন অনেকেই। তবে এই সময়ের রোদেও ত্বকে ক্ষতি হতে পারে। শীতকালে অতিবেগুনী রশ্মী এবং পিএ+++ থেকে রক্ষা করে এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। বাড়তি সুরক্ষা পেতে বাইরে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন মাখা যেতে পারে।

তেল –
শরতের বাতাসের হাত থেকে প্রাকৃতিক আদ্রতা বাঁচাতে তেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গোসলের আগে ১০ মিনিট তেল মালিশেই মিলবে ত্বকের প্রয়োজনীয় পুষ্টি। ব্যবহার করা যাবে যেকোনো বেবি অয়েল বা ওলিভ অয়েল। নিয়মিত ব্যবহারে পুরো শীতকাল ত্বক থাকবে নরম, কোমল ও মসৃণ।

কন্ডিশনার –
শীতে চুলের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ব্যবহার করা উচিত সিলিকনযুক্ত কন্ডিশনার, যা চুলের বাইরের অংশকে রক্ষা করে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখে। শুষ্ক এবং রুক্ষ চুলের সুরক্ষায় ব্যবহার করা যেতে পারেন অ্যাভোকাডো মাস্ক।

এজন্য কাঁটাচামচ দিয়ে অ্যাভোকাডো ভর্তা করে এর সঙ্গে ভার্জিন ওলিভ অয়েল মিশিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণটি ত্বকে মেখে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে। শীতপূর্ব আবহাওয়ায় চুল রুক্ষ হওয়ার হাত বাঁচানোর জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল এবং চুল কোমল করার উপাদানগুলো মিলবে এই মাস্কে।

পানি –
সব আবহাওয়াতেই ত্বক সুস্থ রাখার একটি বড় উপায় হল প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা। এটি ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে। শরীরের বিষাক্ত পদার্থগুলো বের করে দিয়ে ত্বক আদ্র রাখে। শীতকালে ঠাণ্ডা পানি পান করতে সমস্যা হলে কুসুম গরম পানি পান করতে হবে।