সঠিক নিয়ম মেনে হাঁটলে কমবে অতিরিক্ত ওজন

নিয়মিত হাঁটলে অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে আসে এটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু এমন অনেকের অভিযোগ যে, প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটার পরও ওজন কমছে না। তাদের জন্য বলা যায়, শুধু হাঁটলেই চলবে না এর জন্য সঠিক নিয়মটি অবলম্বন করতে হবে। আসুন জেনে নেই হাঁটার এমন কয়েকটি পদ্ধতি যেগুলো সত্যিই আপনার অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে স্লিম করতে সহায়ক।

অবসর নিয়ে হাঁটা
আপনি যখন হাঁটবেন তখন নির্দিষ্ট সময় একটি পর ছোট্ট একটি ব্রেক নিন এবং সে সময় ১৫ বার পুশআপ, ৪০ বার বুকডাউন ও ৪০ বার জাম্প দিন। এ অতিরিক্ত ব্যায়ামের ফলে আপনার দেহে থাকা অতিরিক্ত ক্যালরি ধ্বংস হবে এবং আপনার ফিগারটি একটি সুন্দর শেপে পৌঁছে যাবে। ফলে আপনার হাঁটাটি কার্যকর হবে।

দ্রুত হাঁটা
যেহেতু আপনি ওজন কমানোর জন্য হাঁটছেন তাই আপনার হাঁটাটিকে বেশ দ্রুত করুন। ১ ঘণ্টা বা ৪৫ মিনিটের একটি দ্রুত গতিসম্পন্ন হাঁটা আপনার দেহের ক্যালরি ধ্বংসে অত্যন্ত কার্যকর। এক্ষেত্রে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যে, যেই গতিতে হাঁটা শুরু করেছেন শেষ পর্যন্ত যেন একই গতিসম্পন্ন থাকে।

ঝিমিয়ে হাঁটা
আপনি যদি মানসিক এবং শারীরিক দুভাবেই শরীরকে ফিট রাখতে চান তাহলে দীর্ঘ পথের একটি ঝিমিয়ে অর্থাৎ ধীরগতি সম্পন্ন হাঁটা দিতে পারেন। অনেকক্ষণ ধরে ধীরগতি সম্পন্ন এ হাঁটা আপনার ওজন কমাতে সহায়ক হবে।

বহুমুখী হাঁটা
অনেক সময় সময়ের অভাবে আমরা বহুমুখী হাঁটা দিয়ে থাকি অর্থাৎ ওজন কমানোর জন্য হাঁটছি ঠিকই কিন্তু সঙ্গে অন্য কাজও করছি যেমন অন্য কারো সঙ্গে কথা বলা, মোবাইলে কথা বলা ইত্যাদি। এর ফলে মানসিকভাবে আলাদা হয়ে যাই। সব সময় মনে রাখতে হবে যে, ওজন কমানোর জন্য শুধু অন্যমনস্কভাবে হাঁটলেই চলবে না মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হয়। তাই এ ধরনের বহুমুখী হাঁটা থেকে অবশ্যই নিজেকে বিরত রাখুন এবং একাগ্র চিত্তে হাঁটুন।

দীর্ঘ পথ হাঁটা
ওজন কমানোর জন্য এ দীর্ঘিপথ হাঁটাও বেশ কার্যকর। ২-৩ মাইলের হাঁটা শরীরকে মেদহীন করে তোলে এবং বাড়তি ওজন নিঃসরণ করে ফেলে।

পাহাড়ে হাঁটা
লক্ষ করলে দেখা যাবে যে, যারা পাহাড়ের গায়ে বসবাস করেন অর্থাৎ যারা আদিবাসী সম্প্রদায় তাদের দৈহিক কাঠামো বেশ সুন্দর হয়ে থাকে। মেদহীন দেহে তারা অনেক বেশি পরিশ্রমও করতে পারেন। কেননা পাহাড়ের ঢালে হাঁটা বেশ শারীরিক পরিশ্রমের কাজ। এতে শরীরের মেদ ঝরে যায়। তাই ওজন কমানোর জন্য হাঁটার এ পদ্ধতিটিও অবলম্বন করতে পারেন।