হোয়াইট হেডসকে বলুন চির বিদায় ৫টি সহজ উপায়ে

পারফেক্ট, সুন্দর একটি লুক পাওয়ার জন্য কি সবসময় মেকআপের প্রয়োজন পড়ে? মোটেও না। পরিষ্কার, দাগবিহীন ত্বক আপনাকে দিতে পারে একটি সুন্দর লুক। ত্বকের প্রধান শক্র হল ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইট হেডস।


আমাদের সবার চোখে প্রথমে এবং খুব সহজে ধরা পড়ে ব্ল্যাকহেডস। সাদা রং এর হওয়ায় হোয়াইট হেডস আমদের চোখ এড়িয়ে যায়। সাধারণত তৈলাক্র ত্বকে হোয়াইট হেডস বেশি দেখা যায়। এই হোয়াইট হেডস থেকে পরবর্তীতে ব্ল্যাক হেডস এবং ব্রণের সৃষ্টি হয়। সহজ ঘরোয়া উপায়ে দূর করে ফেলতে পারেন এই হোয়াইট হেডস।

১। টমেটো :
টমেটোর ভেতরের অংশটুকু দিয়ে ত্বকের হোয়াইট হেডসের স্থানে ঘষুন। কিছুক্ষণ পর শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। টমেটোর tomato ভিটামিন সি হোয়াইট হেডস দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে থাকে।

২। লেবু :
একটি তুলোর বল লেবুর রসে ভিজিয়ে নিন। তারপর এটি দিয়ে হোয়াইট হেডস আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি হয়তো আপনার ত্বকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে। তবে এটি খুব দ্রুত হোয়াইট হেডস White heads দূর করে থাকে।

৩। আপেল সাইডার ভিনেগার :
১ কাপ পানির সাথে ১ টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এবার একটি তুলোর বল ভিনেগারে ভিজিয়ে নিন। এবার তুলোর বলটি দিয়ে হোয়াইট হেডসের স্থানগুলোতে ঘষুন। এভাবে ১০ মিনিট রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন।

৪। দুধ :
২:১:১ অনুপাতে দুধ, লেবুর রস এবং লবণ একসাথে মিশিয়ে নিন। এবার এটি মুখে লাগিয়ে নিন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এটি দিনে ৩-৪ বার করুন। এটি ত্বক থেকে হোয়াইট হেডস White heads দ্রুত দূর করে দিয়ে থাকে।

৫। দারুচিনি :
১ চা চামচ মধু, ১ চা চামচ অ্যালোভেরা জেল এবং ১ চিমটি দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এটি ত্বকের হোয়াইট হেডসের স্থানে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যাদের দারুচিনিতে অ্যালার্জি রয়েছে তারা এই পেস্টটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ত্বকের ব্যবহার করার আগে হাত বা পায়ের কোন স্থানে লাগিয়ে নিন।

নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার, স্ক্রাবিং করলে ত্বককে হোয়াইট হেডস এবং ব্ল্যাক হেডস থেকে মুক্ত। মূলত নোংরা ত্বক হোয়াইট হেডস এবং ব্ল্যাক হেডস হওয়ার প্রধান কারণ। তাই নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার করুন।

→ লেখাটি ভালো লাগলে প্লিজ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

তথ্যসুত্রঃ প্রিয় লাইফ